মেনু নির্বাচন করুন
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

বিষ্ণুপুর সার্বজনীর পূজা মন্দির

ধরণ

মন্দির

ইতিহাস

বিহার (ভোজপুরী: बिहार উচ্চারিত [bɪˈhaːr] ( শুনুন)) পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য[৩][৪] এই রাজ্যের আয়তন ৩৮,২০২ বর্গমাইল (৯৯,২০০ বর্গকিলোমিটার)। আয়তনের বিচারে এটি দেশের দ্বাদশ বৃহত্তম রাজ্য। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিহার ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বাস করেন। বিহারিদের ৫৮ শতাংশের বয়স পঁচিশের কম।[৫] এই হার ভারতের ক্ষেত্রে সর্ব অধিক।

বিহার পূর্বদিকে পশ্চিমবঙ্গের আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল এবং পশ্চিমে উত্তরপ্রদেশের প্রায়-আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে বিহারের জলবায়ু, অর্থনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উক্ত রাজ্যদ্বয়ের মাঝামাঝি স্তরের। এই রাজ্যের উত্তরে নেপাল রাষ্ট্র এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড রাজ্য। বিহারের সমভূমি অঞ্চল এই রাজ্যের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত গঙ্গা নদী কর্তৃক দ্বিধাবিভক্ত। বিহারের প্রজ্ঞাপিত বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬,৭৬৪.১৪ বর্গকিলোমিটার[৬] যা এই রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ৬.৮ শতাংশ। রাজ্যের সরকারি ভাষা হিন্দিউর্দু। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা অঙ্গিকা, ভোজপুরি, মাগধী, মৈথিলী ও বজ্জিকার মধ্যে যে কোনো একটি বিহারি ভাষা

বর্তমানে বিহার অবশ্য মানবীয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিতে একটি পিছিয়ে পড়া ভারতীয় রাজ্য।[৭][৮][৯] অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মীরা দাবি করেন এই পিছিয়ে পড়ার কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের জটিল পণ্য সমতা নীতি,[১০][১১] ও বিহারে এই নীতির বিরূপ প্রভাব[৫][১২][১৩] এবং বিহারী উপ-জাতীয়তাবাদের অভাব,[১১][১৪][১৫] এছাড়াও ১৭৯৩ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তও এই অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।[১১] যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের অধীনে এই রাজ্যের অনেক উন্নতি ঘটেছে।[১৬]

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছবি


প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম

শ্রী শিব পদ মন্ডল

প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদবি

শ্রী শিব পদ মন্ডল

প্রতিষ্ঠান প্রধানের মোবাইল

০১৭১১০০০০০০

প্রতিষ্ঠান প্রধানের ছবি


যোগাযোগ

০১৭১১০০০০০০


Share with :

Facebook Twitter